Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ১ ঘন্টা আগে
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

নওগাঁয় একই স্কিমে দুটি গভীর নলকূপ ॥ দ্বন্দ্বের কারণে হাজারো কৃষকের দুর্ভোগে

নওগাঁয় একই স্কিমে দুটি গভীর নলকূপ ॥ দ্বন্দ্বের কারণে হাজারো কৃষকের দুর্ভোগে

আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ ►
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের চিনোড়া মৌজায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) দুটি গভীর নলকূপ (এসটিডব্লিউ) প্রকল্পকে ঘিরে প্রায় এক দশক ধরে চলমান বিরোধে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজারো কৃষক। একই এলাকায় দুটি সেচ প্রকল্প চালুর পর থেকেই সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। এর প্রভাব পড়ছে ফসল উৎপাদনে। সময়মতো সেচ না পাওয়ায় অনেক জমিতে ব্যাহত হচ্ছে ইরি-বোরো ধানের চাষাবাদ। দ্রুত তদন্ত করে বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় হাজারো কৃষকরা।

বরেন্দ্র অঞ্চল নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার প্রত্যন্ত চিনোড়া গ্রামের অধিকাংশ মানুষের জীবন-জীবিকা কৃষিকে ঘিরেই। কিন্তু এই অঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজ পুরোপুরি নির্ভর করে বিএমডিএর গভীর নলকূপের সেচের ওপর। স্থানীয় বাসিন্দা মো. অলিউল্লাহ ২০০৯ সালে সব ধরনের সরকারি অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চিনোড়া মৌজায় একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করেন এবং নিয়মিত সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। অপরদিকে তৎকালীন আ’লীগের খাদ্যমন্ত্রীর ভাইয়ের প্রভাবে ২০১৯ সালে অবৈধ ভাবে একই এলাকায় বিদ্যমান সেচ স্কিমের নির্ধারিত দূরত্বের বিধিমালা অনুসরণ না করেই আরেকটি গভীর নলকূপ স্থাপন করেন একই গ্রামের সাধন বর্মন নামের আরেক ব্যক্তি।

তিনি পেশীবলের জোরে নলকূপটি তার বসতবাড়ির মধ্যে স্থাপন করে পাইপের মাধ্যমে মাঠের জমিতে সেচ দিয়ে আসছেন। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। সামনেই ইরি-বোরো ধান চাষের মৌসুম। সময়মতো সেচ নিশ্চিত না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে হাজারো কৃষক, কমে যেতে পারে কৃষি উৎপাদনও। তাই নতুন মৌসুম শুরুর আগেই সরেজমিন তদন্ত করে দীর্ঘদিনের এই বিরোধের স্থায়ী সমাধান এবং নিরবচ্ছিন্ন সেচসেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকার কৃষকরা। অভিযুক্ত সাধন বর্মন বলেন, নিয়ম মেনেই নলকূপ স্থাপন করেছি। নিজের বাড়ির ভিতরে নলকূপ স্থাপন করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন সুনির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারেননি।

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) নিয়ামতপুর জোনের সহকারী প্রকৌশলী মো. তারিক আজিজ বলেন, তৎকালীন সময়ে একই স্কিমে দুইটি গভীরনলকুপ স্থাপন করা হয়েছে। এই বিষয়ে আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। দ্রুতই আমরা সরেজমিনে পরিদর্শন সাপেক্ষে বিধিমালা অনুযায়ী পরিচালিত বৈধ সেচযন্ত্র রেখে অবৈধটি বন্ধ করার বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। এছাড়া নিরবচ্ছিন্ন সেচ সেবা নিশ্চিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad