Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ১ ঘন্টা আগে
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

জনগণ গুম-অপহরণ আর ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত রাষ্ট্র দেখতে চায় : প্রধানমন্ত্রী

জনগণ গুম-অপহরণ আর ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত রাষ্ট্র দেখতে চায় : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক ►
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনমনে শান্তি এবং স্বস্তি ফিরেছে। জনগণ এখন গুম, অপহরণ আর ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র এবং সমাজ দেখতে চায়, যেখানে জানমালের ভয় থাকবে না। অবিচার, অনাচার কিংবা নির্যাতন-নিপীড়নের ভয় থাকবে না।

এমন একটি প্রত্যাশিত পরিস্থিতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী তথা পুলিশের ভূমিকাই সর্বাধিক। পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে শনিবার (৯ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘একটি রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে পুলিশ বাহিনীর বিকল্প নেই। তবে পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করতে পারে, তাহলে পুলিশের দায়িত্ব পালনের পথ অনেকটা সহজ এবং সুগম হয়ে যায়।

রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা রক্ষায় একটি পেশাদার ও দায়িত্বশীল পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর অনুষ্ঠিত পুলিশ সপ্তাহ হয়ে উঠুক নিজেদেরকে জনগণের বিশ্বস্ত হয়ে ওঠার অঙ্গীকার পূরণের একটি মুহূর্ত। পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক এবং বর্তমানে কর্মরত সব কর্মকর্তা ও সদস্যকে এবং অবসরপ্রাপ্ত সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলছে। তবে ঘরে-বাইরে জনমনে নিরাপত্তা, স্বস্তি না থাকলে লক্ষ্য অর্জন দুরূহ হয়ে উঠবে। এ জন্য পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনরায় প্রতিষ্ঠা এবং দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই এই মুহূর্তে আমাদের অগ্রাধিকার। এই প্রেক্ষাপটে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি প্রয়োজনে ও সংকটে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারি ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা প্রমাণ করেছে, একটি উপযোগী ও অনুকূল পরিবেশে তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ সক্ষম।

তারেক রহমান আরো বলেন, শুধু দেশেই নয়, বাংলাদেশ পুলিশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের গৌরবোজ্জ্বল অবদান বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। তবে পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়ন, অপরাধ দমন এবং জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে পুলিশের উন্নয়ন নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণে পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে সরকার জননিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে।
গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad