
মোদাচ্ছেরুজ্জামান মিলু ►
বিশ্বকাপে উন্মাদনার দিক দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়া আর কোনো দেশ নাই সে বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যায়। নিজেরা বিশ্বকাপে খেলছেনা অথচ ভিনদেশিদের সাপোর্ট করা ও উন্মাদনা করা সত্যিই বাংলাদেশ এক ব্যতিক্রমী দেশ। এই দেশে যত দর্শক আছে, আছে যত সব ভক্ত। অর্ধেক তার আর্জেন্টিনার, বাকী অর্ধেক ব্রাজিলের। ভক্তরা সবসময় এই দুই দলের তারকাদের নিয়ে গুণগান করেন মাঠে, ঘাটে ও স্টলে।
কেন বিশ্বে এত দল থাকতে ল্যাটিন আমেরিকার এই দুটি দলকে নিয়ে মাতামাতি? এই উন্মাদনায় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল জেনে গেছে যে এরা ফুটবল পাগল। এটাও জেনে গেছে যে এরা আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল ছাড়া অন্য কোনো দেশ নিয়ে মাতামাতি করে না। এই দুটি দল সেই ১৯৯০ সালে মুখোমুখি হয়েছিলো ইতালিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে।
দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে পরাজিত করেছিলো আর্জেন্টিনা। আবারো ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার দেখা হওয়ার সমীকরণ পেলে তো ভালোই হয়। দেখা হতে পারে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সেমিফাইনালে। দুটি দলই ইতোমধ্যে তাদের পয়েন্ট নিশ্চিত করে নক আউট পর্বে কোয়ালিফাই করেছে। জে গ্রুপে দুটি ম্যাচ খেলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর্জেন্টিনা এবং শেষ ম্যাচে মাঠে খেলবে জর্দানের সাথে।
ধরে নেয়া হচ্ছে এই দুর্বল জর্দানের সাথে আর্জেন্টিনা জিতবে। ফিফার সিডিউল অনুযায়ী দ্বিতীয় রাউন্ডে আর্জেন্টিনা খেলবে এইচ গ্রুপের রানার্স আপদের বিপক্ষে। সেখানে এগিয়ে রয়েছে উরুগুয়ে। অন্যদিকে ব্রাজিল গ্রুপচ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের রাউন্ডে জাপানের সাথে খেলতে পারে। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল ২য় ও ৩য় রাউন্ড পার হয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল যদি অতিক্রম করতে পারে তাহলে নিশ্চিত দুটি দলের দেখা হবে সেমিফাইনালে।
এই সমীকরণ ঠিক থাকলে আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিল যে কোনো একটি দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে।