
নিজস্ব প্রতিবেদক►
‘কুষ্ঠরোগ নিরাময়যোগ্য, সামাজিক কুসংস্কার প্রকৃত বাধা-এই প্রতিপাদ্যে গাইবান্ধায় দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস পালন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল- র্যালি, আলোচনা সভা, সচেতনতামূলক স্টল প্রদর্শনী, রোগী সনাক্তকরণ সার্ভে প্রোগ্রাম ও মাইকিং। দি লেপ্রসী মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় এসব কর্মসূচির আয়োজন করে সিভিল সার্জন অফিস।
দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গাইবান্ধা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নাজমুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. শহীদুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রেজওয়ান আহম্মেদ, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (ডিজিজ কন্ট্রোল) ডা. আবু বকর সিদ্দিক অনিক, বক্ষব্যাধী ক্লিনিকের কনসালট্যান্ট ডা. এম এন এ আল মেহেদী, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার পুলক কুমার চক্রবর্তী ও প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মো. মোস্তাকিম বিল্লাহ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন দি লেপ্রসী মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর টেকনিক্যাল সাপোর্ট অফিসার কেশব চন্দ্র রায় ও এরিয়া ডেভেলপমেন্ট অফিসার শরিফুল ইসলাম, ফিল্ড ফ্যাসিলেটর বিনয় রায় ও গোপাল চন্দ্র রায় প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কুষ্ঠ রোগ ছোঁয়াচে নয়, নিরাময়যোগ্য। চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ ভালো হয়। এই তথ্য প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে সকলের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। কুষ্ঠ রোগের উপসর্গ দেখা দিলে রোগীকে সাথে সাথে নিকটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অথবা বক্ষব্যাধী ক্লিনিকে নিয়ে যেতে হবে। সেখানে বিনামূল্যে এই রোগের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। এ রোগ সম্পর্কে সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার থেকে সবাইকে সচেতন করতে পারলে দেশে কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ হবে বলে আশা করেন বক্তারা।