Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ১ ঘন্টা আগে
  • ৬ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক ►
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের আসন্ন উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সাধারণ জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় প্রায় তিন গুণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। তাই বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন দেখছে না নির্বাচন কমিশন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন উপলক্ষে প্যানেলভুক্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনী পরিবেশ ও প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আমরা এখানকার প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করতে এসেছি। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য-উপাত্তে আমরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। নির্বাচনী পরিবেশ খুব চমৎকার রয়েছে। আমরা আশাবাদী, এমন সুন্দর পরিবেশের মধ্য দিয়েই আগামী ২৯ অক্টোবর ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে।’

নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা ভাবছি না। ধরে নিতে পারেন, সেনা মোতায়েন হবে না। কারণ, এখানে যে পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকবে, তা সাধারণ জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে প্রায় তিন গুণ। তাই বাড়তি কোনো পদক্ষেপ বা “ওভার ইনস্যুরেন্স”-এর প্রয়োজন আছে বলে কমিশন মনে করে না।’

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যাতে না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও প্রযুক্তির ব্যবহার প্রসঙ্গে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে। এর মাধ্যমে কেউ যাতে অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো অপকর্ম করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা থাকবে। পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ, বিজিবি ও এসআরবি সদস্যদের শরীরে ধারণযোগ্য (বডি-ওর্ন) ক্যামেরা থাকবে। নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হবে ড্রোনও। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারে বাধা ও প্রার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রার্থীদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্তের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত তিনটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযোগ দুটি দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠু হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু না হওয়ার কোনো কারণ নেই। ইনশা আল্লাহ, একটি গ্রহণযোগ্য ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যা নিয়ে ঠাকুরগাঁওবাসী গর্ববোধ করবেন।’

মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ প্যানেলভুক্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad