
সঞ্জয় সাহা ►
গাইবান্ধার বালাসীঘাট থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীর ওপর দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মিত মানুষের এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। এই রুটে সেতু নির্মিত হলে দুই পারের মানুষের যাতায়াতের পাশাপাশি মেল বন্ধন সৃষ্টি হবে। এতে করে দুই পারে মিলকারখানা গড়ে উঠলে মানুষের কর্মের স্পৃহা বাড়বে। পুরো গাইবান্ধা তথা উত্তরাঞ্চলবাসী ও জামালপুরবাসী আলোকিত হবে।
এরই ধারাবাহিকতায় গাইবান্ধার বালাসী-বাহাদুরাবাদঘাট সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাইবান্ধা তথা উত্তরবঙ্গবাসী’র আয়োজনে আজ শনিবার সকালে শহরের গানাসাস মার্কেটের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স পরিচালক দীপঙ্কর সাহা বাপ্পা, মানববন্ধন উদ্যোক্তা মো. মেস্তাফিজুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব জাহিদ হাসান জীবন, শ্রমিক দল দপ্তর সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম রাখু, কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি রোস্তম আলী, ভোরের আলো সংগঠন সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল হক, গাইবান্ধা পিয়ারাপুর স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক সোলায়মান আলী, ছাত্র অধিকার পার্টির সভাপতি জুয়েল রানা, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন নেতা অতনু সাহা, মাইক ব্যবসায়ী সভাপতি জাহিদুল ইসলাম রানু, আবির রায়হান মুকুট, মোঃ হুনান হক্কানী, অনারারী ক্যাপ্টেন হেবঃ) মোঃ সাদেক আলী সরদার, মোঃ তৈয়ব হাসান, রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ব্যানার-ফেস্টুন হাতে অংশ নেন।
মানববন্ধনের আয়োজক মেস্তাফিজুর রহমান বলেন, গাইবান্ধার বালাসীঘাটে সেতুর দাবিতে দুইজন বাবা ও ছেলে গত ১৬ই আগস্ট হতে ১৯ দিন পায়ে হেঁটে গাইবান্ধা থেকে ২০টা জেলা অতিক্রম করে গত ১১ই সেপ্টেম্বর ঢাকায় যেয়ে পৌছায়। গাইবান্ধা থেকে বের হয়ে জয়পুরহাট, চাপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, কুষ্টিয়া, শেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, খুলনা, নওগাঁ, বাগেরহাট, মেহেরপুরসহ ২০টা জেলা। তারা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে প্রদান করেন।