Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ১ ঘন্টা আগে
  • ৪ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

প্রশস্তকরণসহ মেরামত হচ্ছে খানাখন্দে ভরা রাণীনগরের আবাদপুকুর-আদমদীঘি সড়ক

প্রশস্তকরণসহ মেরামত হচ্ছে খানাখন্দে ভরা রাণীনগরের আবাদপুকুর-আদমদীঘি সড়ক

নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর রাণীনগরের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত আবাদপুকুর থেকে আদমদীঘি যাওয়ার মাত্র আট কিমি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি বর্তমানে খানাখন্দে ভরে গেছে। আবাদপুকুর জেলার বৃহত্তম ধানের হাট হওয়ার কারণে এবং উপজেলার পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে বগুড়া জেলাসহ নাটোর জেলার সঙ্গে যোগাযোগ করতে প্রতিনিয়তই হাজার হাজার পথচারী ও ছোট-বড় সকল ধরণের যানবাহনকে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। 

বর্তমানে সড়কের অধিকাংশ স্থানেই পাঁকা উঠে গিয়ে ছোট ছোট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে প্রতিনিয়তই চলাচল করতে গিয়ে ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। গর্তে পড়ে যানবাহন উল্টে গিয়ে অনেক পথচারী আহত হচ্ছেন। নষ্ট হচ্ছে চলাচলকারী যানবাহনের নানা যন্ত্রাংশ। তবে দ্রুতই সড়কটি প্রশস্তকরণসহ মেরামত করা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রকৌশলী শ্রভাশীষ রায়। 

উপজেলার ভেটী গ্রামের ভ্যানগাড়ি চালক রবিউল ইসলাম জানান, এই সড়ক দিয়ে বগুড়াসহ একাধিক জেলার শতাধিক গ্রামের হাজার হাজার পথচারীরা প্রতিদিন চলাচল করেন। আবার পণ্যবহনকারী বড় বড় যানবাহনও চলাচল করে। আবাদপুকুর থেকে মাত্র আট কিলোমিটার সড়কটির বর্তমান অবস্থা খুবই খারাপ। পুরো সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় গর্তের। যার কারণে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। যাকবাহন উল্টে গিয়ে আহত হচ্ছে অনেক পথচারী। আর যানবাহনের যন্ত্রাংশ তো নষ্ট হচ্ছেই। বর্তমানে অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। 

উপজেলা প্রকৌশলী শুভাশীষ রায় জানান, সড়কটির পুন:পাঁকাকরণের কাজ শেষ হয়েছে ২০২৪ সালের প্রথম দিকে। কিন্তু সড়কের দুই পাশে গাছ থাকার কারণে সড়কটি দ্রুতই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বিশেষ করে সড়কের যে স্থানগুলোর দুই পাশে বড় বড় গাছ রয়েছে সেই অংশগুলোতে রোদ না পড়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি দ্রুত শুকাতে পারে না। আবার গাছ থেকে অবিরত পানি পড়ার কারণে সব সময় রাস্তাটি ভিজে থাকার কারণে সড়কের পাঁকা দ্রুত নষ্ট হয়েছে। যার কারণে সড়কের অধিকাংশ স্থান থেকে পাঁকা অংশটুকু উঠে গিয়ে ছোট ছোট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে সড়ক দিয়ে চলাচলকারী পথচারী ও যানবাহনগুলোকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, দ্রুতই এই ভোগান্তির হাত থেকে রেহাই মিলবে। সড়কটির মাথা ১২ ফিট থেকে প্রশস্ত করে ১৮ ফিটে উন্নীত করাসহ নতুন করে পাঁকাকরণের জন্য প্রকল্প অধিদপ্তর বরাবর পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সড়কটির দুরবস্থা দেখে দ্রুত মেরামত করার জন্য নওগাঁ-৬ আসনের এমপি মহোদয় ইতোমধ্যেই প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগও করেছেন। তাই আশা করা যাচ্ছে আর এক মাস পর প্রকল্প অনুমোদন শেষে অর্থ বরাদ্দ পেলেই সড়কটির আধুনিকায়নের কাজ শুরু করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad