Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ১ ঘন্টা আগে
  • ২১ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

দুই দফা অভিযানে ২ হাজার ৩৪০ বস্তা সার জব্দ

দুই দফা অভিযানে ২ হাজার ৩৪০ বস্তা সার জব্দ

দিনাজপুর প্রতিনিধি ►
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে অবৈধভাবে সার মজুত ও বরাদ্দবহির্ভূত সার রাখার অভিযোগে পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২ হাজার ৩৪০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় দুই গুদাম ব্যবস্থাপককে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার বিপুল পরিমাণ সার আটকের সংবাদটি এবং ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে দুজনের কারাদণ্ডের প্রদানের সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের কবিরাজহাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমা খাতুনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিসিআইসি লাইসেন্সধারী সার ডিলার নওশাদ ট্রেডার্স ও জনতা হাসকিং মিলের অবৈধ গুদাম থেকে ১ হাজার ৪৯৩ বস্তা টিএসপি, ১৮১ বস্তা ডিএপি ও ২১৬ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়। জব্দ করা সারের মোট পরিমাণ ১ হাজার ৮৯০ বস্তা। অভিযানকালে জনতা অটো রাইস মিলের ম্যানেজার কাজী ফয়সালকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এর আগে মঙ্গলবার একই এলাকায় বিএডিসি নিবন্ধিত একটি কৃষি বীজঘরের গোডাউনে অভিযান চালান সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপংকর বর্মন। এ সময় গোডাউন থেকে ৪৫০ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গোডাউনের ম্যানেজার মো. জনি ইসলামকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দুই দফা অভিযানে মোট ২ হাজার ৩৪০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা সারগুলো সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমা খাতুন বলেন, ‘কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার কেউ অবৈধভাবে মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষকের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম ও বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, কৃষক পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ কাজ করছে। কোথাও অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বীরগঞ্জের হাবলু হাট এলাকার কৃষক কৃষ্ণকান্ত রায় বলেন, ‘কৃষকের প্রয়োজনের সময় সার পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে আমরা সময়মতো ন্যায্যমূল্যে সার পাব। এতে কৃষকদের ভোগান্তিও কমবে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad