
সুলতান মাহমুদ, দিনাজপুর ►
দিনাজপুরে রাসায়নিক সারের সামগ্রিকভাবে তীব্র সংকট না থাকলেও নির্দিষ্ট কয়েক ধরনের সারের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। বিশেষ করে ফসফরাস সারের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন জেলার বিভিন্ন এলাকার চাষিরা। সার নিতে ডিলারের দোকানে একাধিকবার গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে অনেক কৃষককে। এতে আমন ধানের আবাদ কিছুটা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে উৎপাদন নিয়ে শঙ্কা।
তবে কৃষক ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইউরিয়া, ডিএপি ও অন্যান্য কয়েকটি রাসায়নিক সার অনেক এলাকায় চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে। আবার কোথাও কোথাও এসব সারেরও সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় সারের সব ধরনের সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় আমন মৌসুমে তাদের বাড়তি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
কৃষকদের অভিযোগ, সার বিতরণ ব্যবস্থায় কোথাও কোথাও সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে। ফলে কোনো কৃষক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সার পেলেও অন্য কৃষককে একই সার পাওয়ার জন্য একাধিকবার ডিলারের দোকানে ঘুরতে হচ্ছে। বিশেষ করে নির্দিষ্ট কয়েক ধরনের সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে আমন মৌসুমে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।
দিনাজপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুম তুষার বলেন, উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্ডে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের কৃষক কার্ড প্রদান করছেন এবং চাহিদা অনুযায়ী রাসায়নিক সার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।