
অনলাইন ডেস্ক ►
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফি ও সেশন চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি, অবস্থান এবং বাংলা বা ইংরেজি ভার্সনের ওপর ভিত্তি করে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ফি প্রযোজ্য হবে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার নন-এমপিও বা আংশিক এমপিও কলেজগুলোর জন্য। সোমবার (২৪ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশিত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালায় এ তথ্য জানা যায়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, এ বছর আবেদন ফি বাবদ আগের বছরের ৩৩৫ টাকার বদলে ৫ টাকা বাড়িয়ে ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে শিক্ষা বোর্ড। এমপিওভুক্ত কলেজের ক্ষেত্রে ভর্তি ফি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে—ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভার্সনে ৫,০০০ টাকা, ঢাকা বাদে অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩,০০০ টাকা, জেলা পর্যায়ে ২,০০০ টাকা এবং উপজেলা ও মফস্বল এলাকায় ১,৫০০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নন-এমপিওভুক্ত কলেজের ভর্তি ফি নির্ধারিত হয়েছে- জেলা সদরে বাংলা ভার্সনে ৩,০০০ টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে ৪,০০০ টাকা এবং উপজেলা ও মফস্বল এলাকায় বাংলা ভার্সনে ২,৫০০ টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে ৩,০০০ টাকা।
শিক্ষার্থীর ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়নের সময় শিক্ষা বোর্ড রেজিস্ট্রেশন ফি (১৪২ টাকা), ক্রীড়া ফি (৫০ টাকা), রোভার/রেঞ্জার ফি (১৫ টাকা), রেড ক্রিসেন্ট ফি (১৬ টাকা), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি (৭ টাকা), বিএনসিসি ফি (১০ টাকা, যা আগে ছিল ৫ টাকা), এবং শিক্ষককল্যাণ ও অবসরসুবিধা ভাতা ফি (১০০ টাকা) সহ মোট ৩৪০ টাকা নেবে।
এ ছাড়া একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে আবেদনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা এবং শিক্ষা বোর্ডে পাঠানোর জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রেড ক্রিসেন্ট ফি বাবদ ২৪ টাকা ও বার্ষিক ক্রীড়া মঞ্জুরি ফি বাবদ ৪০০ টাকা গ্রহণ করা হবে। এদিকে, দেশব্যাপী এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে শুরু হচ্ছে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রস্তুতি।
সম্প্রতি একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রস্তাবিত খসড়া নীতিমালা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। এতে ৭ শতাংশ আসন কোটার জন্য রেখে বাকি ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই নীতিমালায় ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই কেবল এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচিত হবে। কোটার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে খসড়া নীতিমালায়। সূচি অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়মিত ক্লাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।