Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ১ ঘন্টা আগে
  • ১০ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

শরিফুলে ওয়াসিম আকরামের ছায়া, ৩৩ বছর পর এমন কীর্তি

শরিফুলে ওয়াসিম আকরামের ছায়া, ৩৩ বছর পর এমন কীর্তি

অনলাইন ডেস্ক ►
বাজে ব্যাটিংয়ের পর ম্যাকাই টেস্টে বাংলাদেশের আশা বাঁচিয়ে রেখেছেন ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা শরিফুল ইসলাম। প্রথম দিনে ৬ উইকেট শিকারের পর দ্বিতীয় দিনেও থামেনি তার বোলিং তোপ। অজি ব্যাটার ক্যামেরন গ্রিনকে দুর্দান্ত এক ইয়র্কারে সাজঘরে ফেরান তিনি, যা দেখে সাবেক অজি ক্রিকেটার ব্রেন্ডন জুলিয়ান মন্তব্য করেন, ‘যেন নব্বইয়ের দশকে ওয়াসীম আকরামের দেখা মিলল।’

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে শরিফুলের ওই ডেলিভারিটি ইয়র্কার লেন্থে পড়ে শেষ মুহূর্তে ইনসুইং করে গ্রিনের বুটের ডগায় আঘাত করে। বাংলাদেশের আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। রিপ্লেতে দেখা যায় বলটি মিডল স্টাম্পে আঘাত করত, ফলে বিদায় নিতে হয় ১০৫ বলে ৬৭ রান করা গ্রিনকে।

এই উইকেটের মধ্য দিয়ে প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে অজিদের মাটিতে টেস্টে ৭ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়লেন শরিফুল। এমনকি গত ৩৩ বছরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টের এক ইনিংসে কোনো সফরকারী বোলার ৭ উইকেট পাননি। সর্বশেষ ১৯৯৩ সালে ক্যারিবীয় কিংবদন্তি কার্টলি অ্যামব্রোস অজি ভূমিতে সফরকারী বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছিলেন।

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে দেশের বাইরে টেস্টে সর্বোচ্চ বোলিং ফিগার ছিল স্পিনার তাইজুল ইসলামের (১৩৮ রানে ৭ উইকেট)। এখন সেটি নিজের দখলে নিলেন শরিফুল। পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেটে দেশের প্রথম পেসার হিসেবেও ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়ার মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি। ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শাহাদাত হোসেন রাজীবের ২৭ রানে ৬ উইকেট ছিল এতদিনের সেরা, যা কদিন আগে ডারউইন টেস্টে হাসান মাহমুদ (৫৫/৬) স্পর্শ করেছিলেন। শরিফুল এবার সেই পুরোনো রেকর্ড ভেঙে শীর্ষে বসলেন।

সব মিলিয়ে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে টেস্টে এখন এটি তৃতীয় সেরা বোলিং ফিগার। মিরপুরে তাইজুল ইসলামের ৩৯ রানে ৮ উইকেট এখনও শীর্ষে, আর চট্টগ্রামে সাকিবের ৩৬ রানে ৭ উইকেটের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৪৮ রানে ৭ উইকেট নিয়ে তালিকার তিনে জায়গা করে নিলেন এই বাঁহাতি তারকা পেসার।  
 

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad