Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ১ ঘন্টা আগে
  • ২১ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

জুলাই শহীদদের কবরের টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

জুলাই শহীদদের কবরের টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক►

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে গাইবান্ধার ৬ শহীদের কবরের টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদ ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের পুনর্বাসনের সাথে জড়িতদের বিচার দাবি করেছে ৬ শহীদ পরিবার। গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গতকাল সোমবার ৬ পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের মা শাহিনা বেগম। এসময় শহীদ শাকিনুরের স্ত্রী শারমিন আক্তার, শহীদ আরিফুলের স্ত্রী হালিজা বেগম, শহীদ সুজনের স্ত্রী লাইজু বেগম, শহীদ নাজমুলের মা গোলেভান, শহীদ জুয়েল রানার মা জমিলা বেগম ও শহীদ সজলের বাবা খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। 

লিখিত বক্তব্যে শাহিনা বেগম বলেন, গাইবান্ধা জেলার ৬টি জুলাই শহীদের কবর পাকা করার কাজ দীর্ঘদিন আগে শুরু হলেও এখন পর্যন্ত কোনোটিই সম্পূর্ণ হয়নি। বারবার ঠিকাদার ছাত্রশক্তির আহবায়ক মেহেদী হাসানকে বলা হলেও তিনি কর্ণপাত করেননি। এব্যাপারে জানতে জেলা পরিষদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, মেহেদী হাসান সব বিল তুলে নিয়ে গেছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানালে তিনি আশ্বাস প্রদান করলেও এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। শাহিনা বেগম বলেন, গত ২ জুন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি জেলা শাখার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সদস্য সচিব রাহাত ইবনে শহীদ জুলাই আন্দোলনের শহীদ সজলকে চেনেন না বলে বক্তব্য দিয়ে শহীদ পরিবারের প্রতি অবজ্ঞা দেখিয়েছেন। 

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, গাইবান্ধা জেলায় জুলাই ও শহীদ এবং আহতদের পুনর্বাসন কমিটি গঠিত হয়েছে। সাবেক জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদের সভাপতিত্বে শহীদ পরিবারের ওই কমিটিতে কে আছে তাও তারা জানেন না। পরবর্তীতে জানতে পারেন শহীদ সজলের মা শাহিনা বেগমের নাম রয়েছে কিন্তু কোন পদে রয়েছে তাও জানা নেই। কোন দুর্নীতি অমিয়ম হলে শহীদ পরিবারদের দায়ী করতে পারবে না। 

লিখিত বক্তব্যে শাহিনা বেগম আরও বলেন, ২৪ এর জুলাই শহীদ ও আহতদের রক্তের সাথে বেমাইনী করে গাইবান্ধায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন এনসিপির নেতৃবৃন্দ। এজন্য তারা এনসিপিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। শহীদ পরিবারগুলোর নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়। কারণ প্রায়ই শহীদ পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন। এদিকে অভিযুক্ত মেহেদী হাসান বলেন, টাকা আত্মসাতের অভিযোগের ভিত্তি নেই। প্রকল্পের সব কাজ এখনও শতভাগ সম্পন্ন হয়নি। প্রশাসন ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে বাকি কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad