Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ২ ঘন্টা আগে
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

গোবিন্দগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে দিনভর ধর্ষণ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

গোবিন্দগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে দিনভর ধর্ষণ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে স্কুলে যাওয়ার পথে অপহরণ করে দিনভর পাশবিক নির্যাতনের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর রাস্তার পাশে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে যায় র্দুবৃত্তরা। বর্তমানে শিশুটি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে ওই ছাত্রী তার নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল। সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের গোবিন্দগঞ্জ থানাধীন সমাসপাড়া এলাকার একটি ট্রান্সফরমারের সামনে পৌঁছালে ওত পেতে থাকা দুই যুবক জোরপূর্বক তাকে একটি অটোরিকশায় তুলে নেয়।

ভুক্তভোগীর মামার দেওয়া তথ্যমতে, অপহরণকারীরা শিশুটিকে ফুলবাড়ী ইউনিয়নের ফুটানী বাজার সংলগ্ন একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোরপূর্বক কোনো চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয় এবং দিনভর তার ওপর অমানুষিক পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। এরপর বিকেলের দিকে শিশুটিকে স্থানীয় ‘আঁখ সেন্টারের’ কাছে রাস্তার পাশে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় র্দুবৃত্তরা।

বিকেলে পথচারীরা শিশুটিকে সড়কের পাশে অসংলগ্ন ও অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তার পরিবারকে খবর দেয়। স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক পরীক্ষার পর শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. ফাহাদ আল আসাদ গণমাধ্যমকে জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। সেক্সুয়াল হ্যারেসমেন্টের আলামত এবং শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে তাকে দ্রুত বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল ও ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। 

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কায়েস জানান, তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন এবং পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুতই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। 
এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad