• মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ১৯-১-২০২৩, সময়ঃ সকাল ০৯:১৭
  • ৭৬ বার দেখা হয়েছে

নওগাঁয় সড়ক বিভাগের ব্যতিক্রমী  পিঠা উৎসব ও পূনর্মিলনী 

নওগাঁয় সড়ক বিভাগের ব্যতিক্রমী  পিঠা উৎসব ও পূনর্মিলনী 

নওগাঁ প্রতিনিধি  ►

নওগাঁ সড়ক বিভাগের উদ্যোগে জেলা পর্যায়ে কর্মকর্তাদের নিয়ে পিঠা উৎসব ও পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজেদুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নওগাঁ সড়ক বিভাগের প্রেমিসিসে এই পিঠা উৎসব, পূনর্মিলনী ও এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান। এছাড়াও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাশিদুল হক, সিভিল সার্জন আবু হেনা মো. রায়হানুজ্জামান সরকার, গনপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আল মামুন, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাইদসহ জেলায় কর্মরত সকল বিভাগের প্রধানগন। পূনর্মিলনী শেষে ওল্ড ইজ গোল্ড খ্যাত কিছু সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 

এমন আয়োজনের উদ্দেশ্য নিয়ে নওগাঁ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজেদুর রহমান বলেন, যদি এমন হত, কনকনে শীতের সন্ধায় প্রিয়জনদের সাথে দেখা হলো। একটা মনোরম পরিবেশে। সেখানে বেশ যতœ করে কয়েক রকমের পিঠা পায়েস তৈরি হচ্ছে। এই যেমন, ভাপা, দুধ-চিতই, কুশলি পিঠা। চুলার গরম থেকে পিঠা দেয়া হচ্ছে সামনে। গল্পে এমন মশগুল, সে পিঠা কখন পেটে চালান হয়ে যাচ্ছে টেরই পেলেন না। শুধু পিঠা ও গল্পে কি মন ভরে! ধরেন সেখানে আছে একদল শিল্পী। মিউজিশিয়ানদের সাথে কেউ গাইছে চির সবুজ কিছু গান যাকে বলা হয় “ওল্ড ইজ গোল্ড”। আরেক শিল্পী হয়ত আপনার অনুরোধে গাইছে কখনও কিশোর কুমার, কখনও বা সুবীর নন্দীর অসাধারন কিছু গান। কনকনে শীত তখন খুব বেশি কাবু করতে পারে না। আমার হৃদয়ে স্থান পাওয়া এমনই কিছু ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতেই এই সামান্য আয়োজন। যেখানে কাজ করি সেখানকার সবাই আমার আপনজন। সেই আপনজনদের সঙ্গে মাঝে মাঝে আরো আপন করে কিছুটা সময় একটু মাস্তি করে কাটাতে ইচ্ছে করে। সেই ইচ্ছে থেকেই এই ছোট্ট আয়োজন। এতে করে আমাদের সবার মাঝে হৃদতা আরো বৃদ্ধি পাবে সঙ্গে আগামীর পথচলাটাও অনেক মধুর হবে।

এসময় অভিমত প্রকাশ করতে গিয়ে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান বলেন নির্বাহী প্রকৌশলীর এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবীদার। আমরা যারা জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা রয়েছি তারা সবাই দিন থেকে শুরু করে অনেক সময় মধ্যরাত পর্যন্ত সরকারের দাপ্তরিক কর্মকান্ড সম্পন্ন করতেই কেটে যায়। এমন যান্ত্রিক জীবনে একটু বিনোদন ছাড়া বেঁচে থাকা একেবারেই কষ্টসাধ্য একটি বিষয়। তাই কর্মব্যস্ততার এই জীবনে এমন আয়োজন সত্যিই অসাধারন। আমি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি এই অনুষ্ঠানের আয়োজকদের যেন তারা আগামীতেও এই ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখেন। 

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়