
অনলাইন ডেস্ক ►
নতুন নিয়োগ নীতি অনুযায়ী, যেসব প্রার্থী প্রতিবাদ বা আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় সহিংসতায় জড়াবেন, তাদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ করা হতে পারে। ভারতের উত্তর প্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের পরিবর্তিত এই নীতি অনুযায়ী, চরিত্র যাচাই সম্পন্ন হওয়ার আগেই সাময়িক নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে, তবে সংবেদনশীল পদগুলোর ক্ষেত্রে বিস্তারিত পটভূমি যাচাই করা বাধ্যতামূলক। গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রার্থীরা সরকারি চাকরির জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। খবর ইন্ডিয়া টুডে’র।
এই নীতিমালায় রাজ্যের সরকারি বিভাগ ও অন্যান্য সরকারি সংস্থায় সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে চরিত্র যাচাই এবং পুলিশি পরীক্ষার শর্তাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন নীতি অনুযায়ী হত্যা, ধর্ষণ, প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষায় অনিয়ম সংক্রান্ত অপরাধ এবং সাইবার জালিয়াতির মতো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রার্থীরা সরকারি চাকরির জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।
নীতিতে এটিও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ফৌজদারি মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপন করলে নিয়োগ বাতিল হতে পারে। তাই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় প্রার্থীদের তাদের ফৌজদারি অতীত বিষয়ক প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রকাশ করতে হবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থীদের চরিত্র যাচাই সম্পন্ন হওয়ার আগেই তাদের সাময়িক নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে সংবেদনশীল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিস্তারিত চরিত্র যাচাই ও পটভূমি পরীক্ষা (ব্যাকগ্রাউন্ড চেক) বাধ্যতামূলক থাকবে।
নীতি অনুযায়ী, প্রার্থীদের নিজ জেলায় এবং গত পাঁচ বছরের মধ্যে তারা যেসব জেলায় এক বছরের বেশি সময় ধরে বসবাস করেছেন, সেসব জেলায় পুলিশি যাচাইকরণ করা হবে। সরাসরি নিয়োগের সময় যে যাচাই-বাছাই করা হয়, তার অংশ হিসেবে প্রার্থীদের বসবাসের ইতিহাস খতিয়ে দেখাও এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত। নতুন নিয়োগ নীতিটি কেবল সরকারি বিভাগগুলোতেই নয়, বরং করপোরেশন, কাউন্সিল, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, পঞ্চায়েত ও স্থানীয় সংস্থাগুলোতেও সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছে।