Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৫১ মিনিট আগে
  • ৯ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

বিশ্বের ১২৬ শহরের মধ্যে বায়ুদূষণে ঢাকার অবস্থান আজ সপ্তম

বিশ্বের ১২৬ শহরের মধ্যে বায়ুদূষণে ঢাকার অবস্থান আজ সপ্তম

অনলাইন ডেস্ক ►
বিশ্বের ১২৬ শহরের মধ্যে সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অবস্থান আজ সপ্তম। ১৬৬ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেস্ক (আইকিউএয়ার) স্কোর নিয়ে শহরের বায়ুমান ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

অন্যদিকে বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি। যার বায়ুমান স্কোর ২০১। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, এদিন বিশ্বের বায়ুদূষণ শহরগুলোর তালিকার শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি। যার বায়ুমান স্কোর ২০১। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া বায়ুমান স্কোর ২০০ নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, ১৯০ স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, ১৮১ স্কোর নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারতের আরেক শহর মুম্বাই এবং পঞ্চম স্থানে থাকা সিঙ্গাপুরের সিঙ্গাপুর সিটির স্কোর ১৬৮।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয় বায়ুর মান। আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়।

এ ছাড়া স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad