
ফুলছড়ি প্রতিনিধি ►
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন রায়হান মাহমুদ রাহুল। বর্তমানে তিনি উদাখালি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ফুলছড়ি থানা ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন।
দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই রায়হান মাহমুদ রাহুল ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মী হিসেবে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেন। পরে তিনি থানা ছাত্রদলের সদস্য এবং সর্বশেষ উদাখালি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি, মিছিল, সমাবেশ, মানববন্ধন ও প্রচার কার্যক্রমে তিনি নিয়মিত অংশ নেন। ২০১৮ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল।
রায়হান মাহমুদ রাহুল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে চারটি মামলা করা হয়। এসব মামলায় তিনি দুই দফায় মোট ৮৫ দিন কারাগারে ছিলেন। ২০২৩ সালে এসব মামলা করা হয়। তাঁর ভাষ্য, মামলা ও কারাবরণের কারণে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সরে যাননি।
উদাখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা সীমান্ত আহমেদ বলেন, ‘রাহুল দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের জন্য কাজ করছেন। দুঃসময়ে তিনি নেতা-কর্মীদের পাশে ছিলেন। উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্ব পেলে তিনি সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে পারবেন বলে আমরা মনে করি।’ তবে উপজেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বে কারা আসছেন, তা নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হলে সাধারণ সম্পাদক পদে আরও কয়েকজন নেতা আগ্রহ প্রকাশ করবেন। ফলে শেষ পর্যন্ত কারা নেতৃত্বে আসছেন, তা নিয়ে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।
সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেলে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে রায়হান মাহমুদ রাহুল বলেন, ‘দায়িত্ব পেলে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে চাই। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংগঠনের কার্যক্রম বাড়ানো এবং তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সক্রিয় করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।’ ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা জয়নাল আবেদীন জয় বলেন, ‘রাহুলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা রয়েছে। নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ ও মাঠপর্যায়ের কর্মকাণ্ড বিবেচনা করা উচিত।’