Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ২ ঘন্টা আগে
  • ২৯ বার দেখা হয়েছে

বালুচরে তরমুজ চাষ করে স্বাবলম্বী অনেক কৃষক

বালুচরে তরমুজ চাষ করে স্বাবলম্বী অনেক কৃষক

সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধি

বালুচর ভাড়া বা বর্গা নিয়ে তরমুজ চাষ করে অনেকে এখন স্বাবলম্বী। অল্প খরচে দ্বিগুন লাভের আশায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন চরের কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। চলতি মৌসুমে তরমুজের ফলন ভাল হওয়ায় খুশি তরমুজ চাষিরা। দেরিতে তরমুজ বাজারজাত করলেও দাম ভাল পাচ্ছেন কৃষকরা। 

ভাটি কাপাসিয়া চরের নারী তরমুজ চাষি নাসরিন বেগম বলেন, বালু চর ভাড়া বা বর্গা নিয়ে চলতি বছর ৮০ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। প্রতিবিঘা জমিতে তার খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকা। ফলন ভাল হলে বিঘাতে ৪৫ মণ তরমুজ পাওয়া যায়। বর্তমানে প্রতিমণ তরমুজ ১ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে করে প্রতি বিঘাতে ২০ হতে ২৫ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে। তিনি বলেন, গত বছর ৫০ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করে ১০ লাখ টাকা লাভ করেছেন। জমি মালিককে বিঘা প্রতি ভাড়া দিতে হয় ১ হাজার টাকা। 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার চরাঞ্চলে ১৮ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে কাপাসিয়া ইউনিয়নে ১২ হেক্টর। যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। দিন দিন তরমুজের চাষাবাদ বাড়ছে। বেশ কিছু সংখ্যাক কৃষককে তরমুজের প্রদর্শণী দেওয়া হছে।

 বাদামের চরের প্রদর্শণী তরমুজ চাষী মশিউর রহমান বলেন, কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ নিয়ে গত পাঁচ বছর ধরে তিনি তরমুজ চাষ করছেন। চলতি মৌসুমে তিনি ৭০ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। ইতোমধ্যে তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে। চরে যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় পরিবহন খরচ বাবদ দ্বিগুন টাকা গুনতে হচ্ছে। সে কারণে লাভের পরিমান কমে যাচ্ছে। একমাত্র পরিবহন ঘোড়ার গাড়ি। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল থাকলে আরও লাভ হত। তিনি বলেন, আমার বোন নাসরিন বেগমসহ বালু চরে প্রথম তরমুজ চাষ শুরু করি। এখন অনেকে তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে। 

কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. লিটন মিয়া বলেন, অল্প খরচে অধিক লাভের আশায় এখন অনেকে তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। নিয়মিত পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে তরমুজ চাষীদের। সেই সাথে বেশ কিছু সংখ্যক কৃষককে প্রদর্শণী দেয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের বাদামের চরের তরমুজের ভাল ফলন হয়েছে। পলি জমে বালুচর এখন অত্যন্ত উর্বর। সে কারণে বালু চরে নানাবিধ ফসল এখন চাষাবাদ হচ্ছে। অল্প খরচে তরমুজ চাষে অধিক লাভের কারনে এখন অনেকে তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে॥          

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad