• মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ১২-৯-২০২৩, সময়ঃ বিকাল ০৪:২২

বেড়েই চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বিপাকে ক্রেতারা

বেড়েই চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বিপাকে ক্রেতারা

ভবতোষ রায় মনা ►

ক্রমশ বেড়েই চলেছে মাছ-মাংস, সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। স্বস্তির ছোঁয়া নেই মুদি পণ্য ও মসলার বাজারেও। এমন অবস্থায় বেশ বিপাকে রয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। 

মঙ্গলবার গাইবান্ধার পুরাতন বাজার, নতুন বাজার, হর্কাস মার্কেটের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, লম্বা বেগুন ৪০ টাকা, গোল বেগুন ৫০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, শসা ৪৫ টাকা, কেজিপ্রতি কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৫৫ টাকা, লেবুর হালি ২০ টাকা, আলু ৪৫ টাকা, পাকা টমেটোর কেজি ১২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০, ঝিঙা ৪০ টাকা, পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, গুঁড়ি কচু প্রতি কেজি ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, রসুন ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে খুচরা দোকানে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি আড়দে কিছুটা কম দামে কেনা যায়। 

সবজি বিক্রেতা রুবেল মিয়া জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে সবজির দাম একটু বেড়েছে। বাজার করতে আসা নুরুল আমিন বলেন, সবজির মূল্য আসলে আমাদের হাতে নেই, কিছু করারও নেই। তারা যে দামে দেবে, আমাদের সেই দামে কিনে খেতে হবে। আবার অন্যান্য দিনের তুলনায় আজকে একটু দাম ও বেশি।

পাইকারী বিক্রেতা শাওন ইসলাম বলেন, চাহিদার তুলনায় পণ্য সরবরাহ কম তাই গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে সবজির বাজারে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আগামী মাস থেকে নতুন সবজি আসা শুরু হলে দাম অনেকটা কমে যাবে। তেল ও চালের দাম স্বাভাবিক থাকলেও মসলা বাজারে  জিড়া কেজি প্রতি ১০২০ টাকা, সাদা এলাচ ও কালো এলাচের ও ডিমের দাম ও বৃদ্ধি পেয়েছে।

মাছ কিনতে আসা ম্যাচে থাকা এক কলেজ ছাত্র আলমগীর হোসেন বলেন, মাছের বাজারে যেভাবে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এতে করে আমরা যারা ম্যাচে থাকি তাদের জন্য মাছ কেনা খুবই কষ্টকর। বাজার করতে আসা আনিসুল হক বলেন, সবজির বাজারে আগুন লেগে আছে, মাছ-মাংসের একই অবস্থা। মুদি দোকানে গিয়েও দেখি সব পণ্যের দাম বেশি। আমরা এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবো কবে?

মাংসের বাজারে ও দাম বৃদ্ধি অব্যহত রয়েছে গরুর মাংস ৭৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি আকারভেদে কেজিপ্রতি ১৮৫ টাকা, কক মুরগি ৩০০ টাকা কেজি। মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শিং মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। কৈ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা। রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, বড় রুই মাছ ৫০০ টাকা কেজি। ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, দেড় কেজি ওজনের ইলিশ মাছ ২২০০ টাকা। বড় চিংড়ি ৭০০ টাকা, বড় কাতল ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা, ট্যাংরা প্রতি কেজি ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, সিলভার কার্ভ (ছোট) প্রতি কেজি ২৩০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, মাছ-মাংসের মতো বেড়েছে মুদি পণ্যের দামও। বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল ও চিনি। এসব ব্যাপারে জেলা কৃষি বিপনন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো: শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সার্বক্ষণিক বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। যদি কোন ব্যবসায়ী পণ্যের অতিরিক্ত দাম নেওয়ার চেষ্ঠা করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়