
অনলাইন ডেস্ক ►
আজ মঙ্গলবার (৯ জিলহজ) হজের প্রধান আনুষ্ঠানিকতা পালিত হচ্ছে ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে। মিনা থেকে রওনা হয়ে লাখো হাজি এখন সমবেত হয়েছেন এই বিশাল প্রাঙ্গণে। সবার মুখে উচ্চারিত হচ্ছে লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনি, যা পুরো এলাকার আকাশ-বাতাস মুখরিত করে তুলেছে।
এবার মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুতবা প্রদান করবেন মসজিদুল হারামের প্রখ্যাত খতিব শায়খ আলি আল হুদাইফি। বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর জন্য খুতবাটি বাংলাসহ মোট ৩৫টি ভাষায় সরাসরি অনুবাদ করে সম্প্রচার করা হচ্ছে। খুতবা শেষে হাজিরা জোহর ও আসরের নামাজ একত্রে আদায় করবেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত মহান আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনায় মশগুল থাকবেন।
সূর্যাস্তের পর হাজিরা মুজদালিফার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। সেখানে রাতযাপন এবং পাথর সংগ্রহের পর পরদিন (১০ জিলহজ) পুনরায় মিনায় ফিরে শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি এবং মাথা মুণ্ডনের মাধ্যমে হজের গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলো সম্পন্ন করবেন। এবারের হজ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বিশেষভাবে লক্ষণীয়। প্রচণ্ড গরম (প্রায় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস) মোকাবিলায় ৪০টি সরকারি সংস্থা এবং আড়াই লাখ কর্মী কাজ করছেন। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ড্রোন ও ডেটা অ্যানালিটিক্স ব্যবহার করা হচ্ছে হাজিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। এ বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৭৮ হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজে অংশগ্রহণ করেছেন।
মাধুকর/এমআর