
ক্রীড়া ডেস্ক ►
পাকিস্তানের ইনিংসে ছক্কা হয়েছে পাঁচটি। এর চারটিই হাঁকিয়েছেন সাজিদ খান। পাকিস্তানের এই টেল এন্ডার ব্যাটারের কল্যাণে বাংলাদেশের লিড কমিয়েছে পাকিস্তান। তা সত্ত্বেও সিলেট টেস্টে ৪৬ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকা টেস্টে টাইগাররা পেয়েছিল ২৭ রানের লিড।
দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই পাকিস্তান হারায় দুই ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজল ও আজান আওয়াইসকে। এরপর অধিনায়ক শান মাসুদ ও বাবর আজম ধরেন দলের হাল। ২১ রান করে শান বিদায় নেন, সুবিধা করতে পারেননি সাউদ শাকিলও। সালমান আঘাকে নিয়ে সেশন পার করেন বাবর।
লাঞ্চ বিরতির আগপর্যন্ত ৩০ ওভার ব্যাট করে ৪ উইকেট হারিয়ে ৯৬ রান জড়ো করে পাকিস্তান। দ্বিতীয় সেশনে ওয়ানডে মেজাজে খেলে বাবর পূর্ণ করেন অর্ধশতক। হাঁটছিলেন শতকের পথেও। জমে উঠেছিল সালমানের সাথে পার্টনারশিপ। তবে দলীয় ১৪২ রানে বাবর ও ১৫০ রানে সালমানকে ফিরিয়ে বাংলাদেশ ম্যাচে ফেরে। নাহিদের গতিময় ওভারে শিকারে পরিণত হওয়া বাবর ৮৪ বলে ৬৮ ও তাইজুলের বলে বোল্ড হওয়া সালমান ৫১ বলে ২১ রান করেন।
৮ উইকেটে ২০৬ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশন শুরু করে পাকিস্তান। শেষমেশ গুটিয়ে যায় ২৩২ রানে। সাজিদ ২৮ বলে ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভুগিয়েছেন বাংলাদেশকে, যে ইনিংসে চারটি ছক্কার সাথে ছিল দুটি চার। বাংলাদেশের পক্ষে তাইজুল তিনটি এবং নাহিদ রানা, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
এর আগে টস জিতে পাকিস্তান আগে বোলিংয়ে নামলে লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে ২৭৮ রান জড়ো করে বাংলাদেশ। ১২৬ রানে ৬ উইকেট পড়ে গেলে লেজের ব্যাটারদের নিয়ে দলের হাল ধরেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ছোট জুটি গড়ে তাইজুল ইসলাম বিদায় নিলে আবারো একপ্রান্তে আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু হয়। তবে অন্য প্রান্ত আগলে রেখে লিটন দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে যান। তুলে নেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি।
১৫৯ বলে ১২৬ রান করে তিনিও বিদায় নেন লিটন। শরিফুল ৩০ বলে ১২ রান করে থাকেন অপরাজিত। ৭৭ ওভারে ২৭৮ রান দাঁড়ায় বাংলাদেশের সংগ্রহ। পাকিস্তানের পক্ষে খুররম শাহজাদ চারটি, মোহাম্মদ আব্বাস তিনটি, হাসান আলী দুটি এবং সাজিদ খান একটি উইকেট শিকার করেন। জবাব দিতে নেমে বিনা উইকেটে ২১ রান নিয়ে দিন শেষ করে পাকিস্তান।