Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৪৫ মিনিট আগে
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার করছে ইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার করছে ইসি

অনলাইন ডেস্ক ►
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট শেষ হওয়ার পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ-এই পাঁচ স্তরের নির্বাচনের আগে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সাংবিধানিক সংস্থাটি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হতে পারে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার বাতিল হওয়ায় নতুন বাস্তবতায় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন বন্ধ করে দেয়। পরে সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সেই অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করা হয়। ফলে নির্দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পথ সুগম হয়েছে।

সম্প্রতি জেলা প্রশাসক সম্মেলনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, সরকার এক বছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায়। একই সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জেলা প্রশাসকদের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেন। অন্য নির্বাচন কমিশনাররাও একই ধরনের বার্তা দিয়েছেন।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ও আচরণ বিধিমালায় সংশোধন আনা হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) আলোকে এসব পরিবর্তন করা হবে। ইতোমধ্যে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিধিমালার খসড়া সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। বিধিমালা সংশোধনের পরই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশের অধিকাংশ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়া প্রায় সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে আদালতের আদেশে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শাহাদাত হোসেন।

আইন অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে এবং পৌরসভার ক্ষেত্রে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হয়। ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষেত্রে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।

এখন কোন স্তর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি ইসি। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়েই কার্যক্রম শুরু হতে পারে। তবে ইসির একটি অংশ মনে করছে, একযোগে হাজারো ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজন বর্তমান কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। সে কারণে প্রথমে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের চিন্তাভাবনা চলছে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, কোন স্তরের নির্বাচন আগে হবে, সে বিষয়ে এখনও কমিশন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি। আপাতত সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

খবর- সমকাল

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad