Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ১ ঘন্টা আগে
  • ২ বার দেখা হয়েছে

স্যানিটারি ন্যাপকিন উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ও পুরস্কার বিতরণ

স্যানিটারি ন্যাপকিন উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ও পুরস্কার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ►

মানসম্পদ উন্নয়নে ‘গ্রামীণ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি’ প্রকল্পের আওতায় তৃণমূল পর্যায়ে নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গাইবান্ধায় এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার গাইবান্ধার এসকেএস ইন-এর ‘সারাবেলা’ সভাকক্ষে দিনব্যাপী এই ‘স্যানিটারি ন্যাপকিন উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ’ আয়োজন করা হয়।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করে এসকেএস ফাউন্ডেশন। কর্মশালায় গ্রামীণ নারীদের ঋতুকালীন স্বাস্থ্য সচেতনতা, স্যানিটারি ন্যাপকিনের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং নারীদের ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসকেএস ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী ও ফোকাল পারসন এস. কে. মামুন। তিনি প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরে অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করেন। এরপর এসকেএস ফাউন্ডেশনের পরিচালক (অর্থ) খোকন কুমার কুন্ডু উপস্থিত সবার সাথে কুশল বিনিময় শেষে শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি পরিচালনা করেন পিকেএসএফ-এর জেন্ডার কনসালটেন্ট শারমিন ফরহাত ওবায়েদ। তৃণমূল পর্যায়ে নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় উদ্যোক্তা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে মোট ১৯ জন স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও প্রশিক্ষণে দেশের সাতটি শীর্ষস্থানীয় উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত থেকে তাদের মূল্যবান অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলো হলো এসকেএস ফাউন্ডেশন, টিএমএসএস, ইএসডিও, এনডিপি, বিজ, গাক ও জাকস ফাউন্ডেশন। 

প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মেধা ও দক্ষতা মূল্যায়নের ভিত্তিতে সফল উদ্যোক্তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বিজয়ীরা হলেন: প্রথম পুরস্কার: মোছাঃ আছিয়া বেগম (উদ্যোক্তা, এসকেএস ফাউন্ডেশন), দ্বিতীয় পুরস্কার: মোছাঃ শারমিন আক্তার (উদ্যোক্তা, ইএসডিও) এবং তৃতীয় পুরস্কার: কলি রানী (উদ্যোক্তা, বিজ)। উদ্যোক্তাদের এই ধরনের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ আগামীতে গ্রামীণ নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad