পঞ্চগড় সংবাদদাতা►
ঈদের ছুটিতে দর্শনার্থীর ভিড় বেড়েছে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসন ইকো পার্কে। বাহারি ফুল-ফলের গাছ, ফোয়ারা আর নানা স্থাপনায় মুগ্ধ বিনোদনপ্রেমীরা। পার্ক ঘিরে জমে উঠেছে প্রত্যন্ত এলাকার ব্যবসা বাণিজ্য।
পঞ্চগড় জেলা শহরের অদূরেই করতোয়া নদীর তীর ঘেঁষে নির্মিত জেলা প্রশাসন ইকো পার্ক। ঢুকতেই চোখে শান্তি যোগায় রঙ-বেরঙের ফুলের গাছ। রয়েছে বাঁশ-বেতের তৈরি নানা স্থাপনা। ঈদের আমেজে পার্কের সৌন্দর্যে মুগ্ধ বিনোদনপ্রেমীরা।
স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২১ একর খাস জমিতে প্রায় ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে এই পার্ক নির্মাণ করেন জেলা প্রশাসক। ২০ হাজার ফুল-ফলের গাছের পাশাপাশি রয়েছে পানির ফোয়ারা, লেকসহ দারুণ সব স্থাপনা।
ঈদের ছুটিতে ৩০ টাকার টিকিটের বিনিময়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে পার্কের সৌন্দর্য উপভোগ করেন দর্শনার্থীরা। এছাড়া, পার্ক ঘিরে জমে উঠেছে প্রত্যন্ত এলাকার ব্যবসা বাণিজ্য।
জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করছেন পরিবেশবিদরা। জানান, দেশি-বিদেশি ফুল ও ফল গাছ পার্কের সৌন্দর্যে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। আর এটিকে দেশের শীর্ষ মানের ইকো পার্ক হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান জেলা প্রশাসক।
পঞ্চগড় পরিবেশবন্ধুর সভাপতি নয়ন তানবীরুল বারী বলেন, সবগুলো গাছ যখন নিজেদের রুপ ফিরে পাওয়া শুরু করবে সেক্ষেত্রে আমাদের দীর্ঘমেয়াদী যে পরিকল্পনা রয়েছে সেটা বাস্তবায়িত হবে। বিশেষ করে জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক সাবেত আলী বলেন, ‘আমরা ধীরে ধীরে পার্কটির আরো সৌন্দর্য বর্ধন করবো। আমরা আশা করছি শিগগিরই এটিকে জেলার ও দেশের অন্যতম শীর্ষ পার্কে পরিণত করতে সক্ষম হবো।’
আগামী কয়েক বছরের মধ্যে পার্কটি জেলার অন্যতম বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।