Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ১ ঘন্টা আগে
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

উদীচী’র ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

উদীচী’র ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

মোদাচ্ছেরুজ্জামান মিলু ►
‘সংগ্রাম শুরু করো মুক্তির-দিন নেই তর্ক ও যুক্তির’ এই স্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী গাইবান্ধা জেলা সংসদের আয়োজনে গত ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গাইবান্ধা নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (গানাসাস) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা, নৃত্যানুষ্ঠান, কবিতা আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশনা। উদীচী’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এদিন সকাল ১০টায় সার্কুলার রোডস্থ উদীচী’র কার্যালয় থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে গাইবান্ধা শহর প্রদক্ষিণ করে।

র‌্যালি শেষে সন্ধায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী গাইবান্ধা জেলা সংসদের সভাপতি অধ্যক্ষ জহুরুল কাইয়ুম। এ ছাড়াও আলোচনা করেন পরিবেশ আন্দোলনের নেতা, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ওয়াজিউর রহমান রাফেল, বিশিষ্ট রাজনীতিক মিহির ঘোষ, গাইবান্ধা নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (গানাসাস) এর সাধারণ সম্পাদক এ কে এম হানিফ বেলাল, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী রিকতু প্রসাদ, রাজনীতিক ও লেখক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, নাট্য ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম বাবু, নাট্য ব্যক্তিত্ব আলাল আহমেদ ও সাংস্কৃতিক কর্মী সবুজ সরকার।

গাইবান্ধার জনপ্রিয় বাচিক শিল্পী ও উদীচী গাইবান্ধা জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আকতারের উপস্থাপনায় শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উদীচী’র দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন রোজিনা নাহিদ ফারজানা শিমুল, শিরিন আকতার, অর্চ প্রসাদ, মিতা হাসান, পপি সেহানবীশ ও হামিদা বানু রিক্তা। এই অনুষ্ঠানের বিশেষ একটি চমক ছিলো গাইবান্ধার বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী দেবাশিষ দাশ দেবুর কবিতা আবৃত্তি।

তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘দুঃসময়’ শিরোনামের কবিতা থেকে আবৃত্তি করলেন-যদিও সন্ধ্যা আসিছে মন্দ মন্থরে/সব সংগীত গেছে ইঙ্গিতে থামিয়া. . .। কবিতাটি আবৃত্তি করার সময় সকল দর্শক এক পলকে উপভোগ করলেন সকলের প্রিয় কবিতাটি। এছাড়াও কবিতা আবৃত্তি করেন বাচিক শিল্পী শিরিন আকতার। অনুষ্ঠানে মুকুন্দ দাসের-ভয় কি স্মরণে গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করেন শিশু শিল্পী আদৃতা, মৃত্তিকা ও স্বপ্নীলা। এই অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন ছিলো যেন আরেকটি চমক।

কারণ যন্ত্রশিল্পীদের শৈল্পিক বাদনের সাথে কণ্ঠশিল্পীদের গণসংগীত, হাছন রাজার গান, লালনের গান, দেশ গান, পল্লীগীতি, ও ভাওয়াইয়া গান সব মিলিয়ে এক মনোমুগ্ধকর সুরের মূর্ছনায় সুর যেন ভেসে গেল গানাসাস চত্বরের বাইরেও। গণ সংগীত পরিবেশন করেছেন গাইবান্ধার বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী ও সংগীত প্রশিক্ষক শাহ মশিউর রহমান, সংগীত ব্যক্তিত্ব ও গণসংগীত শিল্পী রণজিৎ সরকার, ভাওয়াইয়া গানের শিল্পী ও নৃত্য প্রশিক্ষক সিরাজুল ইসলাম সোনা, গণসংগীত শিল্পী আনোয়ারুল ইসলাম।

এছাড়াও সংগীত পরিবেশ করেন রোজিনা নাহিদ ফারজানা শিমুল, নভোনীল হাসান, সন্ধি, লালনের শিল্পী খ্যাত এ এম শামীন ইয়াসার শামস্, আদিয়া আমিন, নুবাহ, আদিত্য প্রমুখ। যন্ত্রসংগীতে ছিলেন বিশিষ্ট তবলা শিল্পী মাহমুদ সাগর মহব্বত, কি বোর্ডে এস এম স্বাধীন, প্যাডে মানিক বর্মন ও অন্যান্যরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad