Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ২ ঘন্টা আগে
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

গণমাধ্যমের অন্দরমহলে নিঃশব্দ মৃত্যুমিছিল-কাল হয়তো আমরা কেউ...

গণমাধ্যমের অন্দরমহলে নিঃশব্দ মৃত্যুমিছিল-কাল হয়তো আমরা কেউ...

কায়সার রহমান রোমেল

সংবাদ কক্ষে একটা বাক্য আজকাল বারবার ঘুরেফিরে আসে- ‘কাল হয়তো আমরা কেউ...’। সহকর্মীর অকালমৃত্যুর খবরে বিমর্ষ হয়ে সাংবাদিকদের মুখে মুখে ফেরা এই আক্ষেপ নিছক ক্ষণস্থায়ী আবেগ নয়। এটি বাংলাদেশের গণমাধ্যম শিল্পের ভেতরে জমে থাকা এক দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতের প্রকাশ- যে ক্ষত তৈরি হয়েছে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, পেশাগত অবমূল্যায়ন আর তীব্র মানসিক চাপের যুগপৎ চাপে।

যাঁরা প্রতিদিন সমাজের অসংগতি, রাষ্ট্রের ব্যর্থতা আর সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা কলমে তুলে ধরেন, সেই সাংবাদিকেরাই আজ নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতি আর মানসিক সুস্থতা থেকে ক্রমশ বঞ্চিত হচ্ছেন। নব্বইয়ের দশকে বেসরকারি গণমাধ্যমের যে জোয়ার শুরু হয়েছিল, তিন দশক পরে এসে দেখা যাচ্ছে- শিল্পের আকার বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু ভেতরের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত ও কর্মীদের সুরক্ষা দিন দিন আরও নড়বড়ে হয়ে পড়েছে।

দেড় যুগের বিষাদগাথা
বাংলাদেশে সাংবাদিকদের আত্মহত্যা নিয়ে কোনো সমন্বিত সরকারি পরিসংখ্যান বা প্রাতিষ্ঠানিক নথি নেই। তবে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন ঘেঁটে দেখা যায়, ২০১২ সাল থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অন্তত ১৫ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী আত্মহনন কিংবা অস্বাভাবিক মৃত্যুর শিকার হয়েছেন। এই তালিকায় যেমন আছেন নবীন বার্তা সম্পাদক, তেমনি আছেন বছরের পর বছর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যুরো প্রধান ও প্রবীণ কলামিস্টও।
সেই তালিকার শুরুটা ২০১২ সালে, বিচিন্তার সম্পাদক ও প্রকাশক মিনার মাহমুদকে দিয়ে- মানসিক বিষণ্ণতা, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা আর একাকিত্বের জাঁতাকলে যাঁর জীবনাবসান ঘটে। এর দুই বছর পর, ২০১৪ সালে দৈনিক আমার দেশের বরিশাল ব্যুরো প্রধান জিএম বাবর আলী দীর্ঘদিনের কর্মহীনতা ও তীব্র আর্থিক অনটনের কাছে হার মানেন। ২০১৮ সালে যশোরের স্থানীয় সাংবাদিক দানিয়েল হাবিব নোভার মৃত্যুর নেপথ্যেও ছিল পারিবারিক ও পেশাগত অনিশ্চয়তাজনিত অবমূল্যায়ন।
২০২২ সাল যেন একের পর এক আঘাত নিয়ে আসে গণমাধ্যম অঙ্গনে। নিউজ২৪বিডি ডটনেটের সহসম্পাদক সৌরভ মাহমুদ নূর দীর্ঘস্থায়ী হতাশা ও কর্মক্ষেত্রের মনস্তাত্ত্বিক চাপে আত্মহনন করেন। একই বছর কালের কণ্ঠ ও বাংলা ট্রিবিউনের সাবেক সাংবাদিক সোহানা পারভীন তুলি চাকরিহীনতা, অর্থনৈতিক টানাপড়েন ও বিষণ্ণতায় জীবন হারান। দ্য রিপোর্ট ডট লাইভের ফটোসাংবাদিক শবনম শারমিন মুক্তির মৃত্যুর পেছনে কর্মক্ষেত্র ও পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে, যা নিয়ে প্ররোচনার মামলাও তদন্তাধীন থাকে।
২০২৪ সালে গাজী টেলিভিশনের নিউজরুম সম্পাদক রাহনুমা সারাহ কয়েক মাসের বকেয়া বেতন ও কর্মক্ষেত্রের অসন্তোষের বোঝা বইতে না পেরে চলে যান। একই বছর এনটিভির সাবেক নিউজ এডিটর ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সীমান্ত খোকনও দীর্ঘদিনের পেশাগত অবমূল্যায়ন ও মানসিক অবসাদে আত্মহননের পথ বেছে নেন।
২০২৫ সালে এই তালিকা আরও দীর্ঘ হয়। আজকের পত্রিকার জ্যেষ্ঠ সহকারী সম্পাদক বিভুরঞ্জন সরকার বকেয়া পাওনা, পরিবারের চিকিৎসা ব্যয় ও জীবনযাপনের সংকটে ভেঙে পড়েন। সংবাদ প্রতিদিনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু তীব্র অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও পারিবারিক মানসিক চাপে জীবনাবসান ঘটান। কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিক মোহাম্মদ আমিন উল্লাহর মৃত্যুর নেপথ্যে ছিল মফস্বল সাংবাদিকতার পারিশ্রমিকহীনতা ও আর্থিক সংকট। মোহনা টিভি ও আমার দেশের জেলা প্রতিনিধি ওসমান হারুনী বছরের পর বছর বকেয়া বেতন আর সামাজিক মর্যাদাহানির চাপে ভেঙে পড়েন। ঢাকা স্ট্রিমের গ্রাফিক্স ডিজাইনার স্বর্ণময়ী বিশ্বাসের আত্মহননের পেছনে কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ ও মানসিকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়ার বিষয়টি সামনে আসে।
চলতি বছর, ২০২৬ সালেও এই মিছিল থামেনি। দৈনিক সুবর্ণভূমির স্টাফ রিপোর্টার ছাকিন হোসেন মফস্বল সাংবাদিকতার আর্থিক অনিশ্চয়তা ও জীবনসংগ্রামের ভার আর বইতে পারেননি। আর সবশেষ, গত ১১ সেপ্টেম্বর বরিশালে দৈনিক সমকালের আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে উদ্ধার হয় সংবাদপত্রটির সাবেক ব্যুরো প্রধান পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ। প্রায় দুই দশক সুনামের সঙ্গে সাংবাদিকতা করার পর ২০২৩ সালে তাঁকে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। এরপর তিন বছর ধরে বেকারত্ব, বকেয়া পাওনা নিয়ে প্রতিষ্ঠানের টালবাহানা আর মানসিক ট্রমার ভেতর দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। চিকিৎসা চালাতে না পারা, আর জমানো পাওনা টাকা সময়মতো না পাওয়ার যন্ত্রণায় শেষ পর্যন্ত তিনি সেই সংবাদপত্র কার্যালয়েই আত্মহননের পথ বেছে নেন। মৃত্যুর আগে রেখে যাওয়া পাঁচটি চিঠিতে ফুটে ওঠে তাঁর বেকারত্ব, অর্থাভাব আর সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়ার দগদগে যন্ত্রণা।

কাঠামোগত সংকট : অর্থনৈতিক নিপীড়নের অলিগলি
এই ধারাবাহিক ট্র্যাজেডিকে শুধু ব্যক্তিগত মানসিক দুর্বলতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এর শিকড় প্রোথিত রয়েছে গণমাধ্যম শিল্পের প্রাতিষ্ঠানিক নৈরাজ্য ও অর্থনৈতিক শোষণের গভীরে।
প্রথমত, দেশে সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জন্য নবম ওয়েজ বোর্ডসহ আইনগত কাঠামো থাকলেও হাতে গোনা কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকিরা তা কার্যত মানে না। অসংখ্য প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট বেতনকাঠামোই নেই, বাজারদরের সঙ্গে সংগতি রেখে নিয়মিত বেতন বাড়ানোর কোনো চর্চাও গড়ে ওঠেনি।
দ্বিতীয়ত, বেশির ভাগ গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকদের নিয়োগপত্রই দেওয়া হয় না- মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর তাঁদের রাখা হয় ভাসমান অনিশ্চয়তায়। শ্রম আইনের কোনো তোয়াক্কা না করে নীতিনির্ধারকদের খেয়ালখুশিমতো যে-কোনো মুহূর্তে অভিজ্ঞ কর্মীদের ছাঁটাই করা হয়। জীবনের শেষপ্রান্তে, পঞ্চাশ বা পঞ্চান্ন বছর বয়সে পৌঁছে হঠাৎ কাজ হারানো একজন সাংবাদিকের জন্য অন্য কোথাও পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসে।
তৃতীয়ত, বেতনের দীর্ঘসূত্রী অনিয়ম আর অবসরকালীন সুবিধার অনিশ্চয়তা সাংবাদিকদের ক্রমাগত ঋণগ্রস্ত ও কোণঠাসা করে তোলে। মাসের পর মাস বেতন না পেয়ে বহু সাংবাদিক পরিবারকে সইতে হয় সামাজিক লাঞ্ছনা। চাকরি হারানোর পর প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটির টাকার জন্য মিডিয়া হাউসের বারান্দায় বারবার ঘুরে বেড়ানো যেন এক অলিখিত নিয়মে পরিণত হয়েছে- যা বিভুরঞ্জন সরকার কিংবা পুলক চ্যাটার্জির মতো প্রবীণ সাংবাদিকদের জীবনপ্রদীপ নিভে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

গবেষণার আয়নায় বিধ্বস্ত মন
সাংবাদিকেরা পেশার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত নানা ট্রমা, রাজনৈতিক সহিংসতা আর দুর্ঘটনার সংবাদ কাভার করেন। কিন্তু নিজেদের মনের ওপর জমে ওঠা চাপ সামলানোর মতো কোনো মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা কাঠামো দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে গড়ে ওঠেনি।
২০২১ সালে পরিচালিত এক জাতীয় সমীক্ষায় উঠে আসে, দেশের সাংবাদিকদের মধ্যে ৮২ দশমিক ২ শতাংশ উচ্চমাত্রার কাজের চাপে ভোগেন, আর প্রায় ৭৯ দশমিক ১ শতাংশ নিজেদের জীবন নিয়ে চরম অসন্তুষ্ট। চার বছর পর, ২০২৫ সালের আরেকটি সমীক্ষা আরও উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরে- ৩০ শতাংশ সাংবাদিক তীব্র কর্মক্লান্তি বা ‘বার্ন আউটে’ ভুগছেন, দুই-তৃতীয়াংশের কাছাকাছি অর্থাৎ ৬৬ শতাংশের মধ্যে বিষণ্ণতার তীব্র উপসর্গ পাওয়া গেছে, এবং প্রতি দশজনের একজন অর্থাৎ ১০ শতাংশ পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার বা পিটিএসডির মতো মনস্তাত্ত্বিক ব্যাধিতে আক্রান্ত।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে প্রাপ্য সম্মান ও পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত থেকে যখন একজন ব্যক্তি পরিবার চালাতে ব্যর্থ হন, তখন তাঁর মধ্যে গভীর পরিচিতির সংকট এবং এক ধরনের নৈতিক ক্ষত বা ‘মোরাল ইনজুরি’ তৈরি হয়। সারাজীবন সত্যের পক্ষে লিখে শেষ বয়সে এসে নিঃস্ব ও দেউলিয়া হয়ে পড়ার এই অনুভূতিই তাঁদের ঠেলে দেয় আত্মহননের মতো চরম সিদ্ধান্তের দিকে।

নিজের ঘরেই আত্মসমালোচনার অভাব
এই ধারাবাহিক আত্মহননের পেছনে আরেকটি সূক্ষ্ম অথচ গভীর কারণ হলো গণমাধ্যমগুলোর নিজেদের প্রতি আত্মসমালোচনার অনীহা। রাষ্ট্রের নানা প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির খতিয়ান প্রতিদিন প্রকাশ করলেও, নিজেদের ভেতরকার কর্মী শোষণ, শ্রম আইন লঙ্ঘন বা বেতন না দেওয়ার খবর নিয়ে গণমাধ্যমগুলো থাকে প্রায় নীরব। এই আত্ম-প্রতিফলনহীনতার কারণে ভেতরের সংকটগুলো জনসমক্ষে যাচাই-বিশ্লেষণের সুযোগই পায় না।
সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় গড়ে ওঠা পেশাজীবী সংগঠন ও ইউনিয়নগুলোর অতিমাত্রায় রাজনৈতিক মেরুকরণও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। বেতনকাঠামো, কর্মঘণ্টা বা ছাঁটাই বন্ধের দাবির চেয়ে অনেক সময় সংগঠনের নেতৃত্বকে দলীয় আনুগত্যেই বেশি মনোযোগী দেখা যায়। ফলে মালিকপক্ষের সঙ্গে যৌক্তিক দরকষাকষির কোনো কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি অবশিষ্ট থাকে না। নিখোঁজ হওয়ার আগে প্রকাশিত এক লেখায় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকার মন্তব্য করেছিলেন, করপোরেট ও রাজনৈতিক ভয়ের সংস্কৃতি গণমাধ্যমে এক ধরনের ‘বনসাই জার্নালিজম’ তৈরি করেছে, যেখানে মুক্তচিন্তা ও সাংবাদিকদের স্বাভাবিক বেঁচে থাকার অধিকার দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে।

উত্তরণের পথ কী?
এই নিঃশব্দ মৃত্যুমিছিল থামাতে হলে সংকটকে শুধু আবেগ দিয়ে না দেখে আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমেই মোকাবিলা করতে হবে।
প্রথমত, শ্রম আইন ২০০৬-এর যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে প্রতিটি গণমাধ্যমে নিয়োগপত্র বাধ্যতামূলক করতে হবে, আর সুনির্দিষ্ট কারণ ও ওয়েজ বোর্ডের ক্ষতিপূরণ ছাড়া আকস্মিক ছাঁটাইকে ঘোষণা করতে হবে সম্পূর্ণ বেআইনি। যে-সব মিডিয়া হাউস কর্মীদের নিয়মিত বেতন ও অবসরকালীন পাওনা দেয় না, তাদের বিরুদ্ধে সরকারি বিজ্ঞাপন ও অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিলের মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
দ্বিতীয়ত, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও প্রিন্ট মাধ্যমের জন্য সময়োপযোগী অভিন্ন ওয়েজ বোর্ড গঠন এবং তার বাস্তবায়ন নজরদারির জন্য একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম কমিশন প্রতিষ্ঠা জরুরি। সেই সঙ্গে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টকে শক্তিশালী করে প্রবীণ, অসুস্থ ও হঠাৎ কাজ হারানো সাংবাদিকদের জন্য সাময়িক সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বা বেকার ভাতার ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার।
তৃতীয়ত, সংবাদ কক্ষে পেশাগত মানসিক চাপ কমাতে সপ্তাহে দুই দিন ছুটি ও নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিটি মিডিয়া হাউসে নিয়মিত মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং সেবা চালু করা উচিত।
সাংবাদিকেরা সমাজের আয়না হলেও সেই আয়না প্রস্তুতকারীদের জীবনই যদি অন্ধকারে ঢাকা পড়ে, তবে সুস্থ সমাজ গড়ে তোলা কখনোই সম্ভব নয়। পুলক চ্যাটার্জি কিংবা বিভুরঞ্জন সরকারদের চলে যাওয়া আমাদের গণমাধ্যম ব্যবস্থার জরুরি সংস্কারের শেষ সতর্কবার্তা। রাষ্ট্র, গণমাধ্যম মালিক ও সাংবাদিক সংগঠনগুলো যদি অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তবে সংবাদকর্মীদের এই আত্মহননের দায় থেকে কেউই মুক্ত থাকতে পারবে না। লেখক ও গণমাধ্যমকর্মী।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad