Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ১ ঘন্টা আগে
  • ১০ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৭০, ব্যবস্থা ৯১ জনের বিরুদ্ধে

কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৭০, ব্যবস্থা ৯১ জনের বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক ►
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী পুলিশের পঞ্চম দফার অভিযানে মোট ৩৭০ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ২৭৯ জনকে মুচলেকায় পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং অপর ৯১ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই অভিযানে আলোচিত কিশোর গ্যাং ‘রতন গ্রুপ’, যা ‘আর স্কোয়াড’ বা ‘র স্কোয়াড’ নামেও পরিচিত, এর প্রধান ইমরান হোসেন ওরফে রতনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত শুক্রবার রাতের অভিযানে প্রাথমিক হিসাবে ৩৬৩ জনকে আটকের কথা জানানো হয়েছিল। পরে রতন গ্রুপ ও ‘ক্রাইম সেটআপ’ গ্যাংয়ের চারজন এবং একটি থানায় আরও তিনজন আটক হওয়ায় সর্বমোট আটকের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৭০। মুচলেকায় মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদেরও কড়া নজরদারিতে রাখা হবে।

পুলিশের ভাষ্য, রতন গ্রুপের মূল রতন (২৫)। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যাসহ নানা অভিযোগে নয়টি মামলা আছে। শুক্রবার রাতে কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে তাঁকে ও তাঁর সহযোগী সাইফুল ইসলামকে (২০) গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পুলিশ সাইফুলকে রতনের ‘ডান হাত’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাঁর বিরুদ্ধেও ১০টি মামলা চলমান। অন্যদিকে, কুমিল্লা নগরীতে অভিযান চালিয়ে ‘ক্রাইম সেটআপ’ গ্যাংয়ের নেতা মো. সাব্বির ওরফে পয়েন্ট সাব্বির (২৪) ও রবিউল ইসলাম নবী ওরফে কিং মেকারকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে কুমিল্লার ১৮টি থানা ও ডিবি পুলিশের সমন্বয়ে কিশোর গ্যাংবিরোধী এ অভিযান চলছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ দফার প্রথম দফায় ৬২৪ জন, দ্বিতীয় দফায় ২৫৪, তৃতীয় দফায় ৪১৫, চতুর্থ দফায় ৩৭৯ এবং পঞ্চম দফায় ৩৭০ জনকে আটক করা হয়েছে। পাঁচ দফায় সর্বমোট আটক ২ হাজার ৪২ জন। তাঁদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪০৯ জনকে মুচলেকায় পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, মাদক, পূর্বের মামলা বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা যাচাই করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, অন্যথায় অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হচ্ছে। সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পরদিন সদর দক্ষিণের সানন্দা এলাকার লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেন, ‘সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্টকারী এবং কিশোরদের অপরাধের পথে ঠেলে দেওয়া কোনো গ্যাং সদস্যকে ছাড় দেওয়া হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad