• মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ২৫-৩-২০২৫, সময়ঃ বিকাল ০৪:২৮

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের উন্নয়নে ৭ দাবিতে ‘মার্চ ফর সলিডারিটি’



নিজস্ব প্রতিবেদক►

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের উন্নয়নে ৭ দফা দাবিতে ‘মার্চ ফর সলিডারিটি’ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ‘গাইবান্ধার সাধারণ ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে আজ (মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে শহরের গাইবান্ধা নাট্য সাংস্কৃতিক সংস্থার (গানাসাস) সামনে থেকে এ কর্মসূচি শুরু করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে পৌরপার্কে অবস্থিত স্বাধীনতার বিজয়স্তম্ভ চত্বরে সমাবেশে মিলিত হয়। 

সমাবেশে বক্তব্য দেন শিক্ষার্থী বিভোর রহমান, আবু জর গিফারী রাফি, অতনু সাহা, মেহেদী হাসান মুন্না, রাহাত, সৌরভ হাসান, তারেক রহমান, রবিন মিয়া, সিফাত মন্ডল, সিমান্ত প্রামাণিক, সানজিদ প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন থেকে তারা হাসপাতালের উন্নয়নে ৭ দফা দাবিতে মিছিল, সমাবেশ, স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। কিন্তু এসব দাবি বাস্তবায়নে কোনো পদক্ষেপ বা কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। 

তারা বলেন, প্রতিষ্ঠার ৪০ বছর পেরিয়েও আজও স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়নি গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল। অবকাঠামো, শয্যা, চিকিৎসক-নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রয়োজনীয় কোনোটিই নেই এই হাসপাতালে। রোগীদের কাছ থেকে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার নামে নেওয়া হচ্ছে টাকা, নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে নিতে হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। এতে করে বাড়ছে দুর্ভোগ-ভোগান্তি, অনিরাপত্তা, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনাসহ নানা অভিযোগ। কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন জেলার ২৬ লাখেরও বেশি মানুষ।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের পদত্যাগ দাবি করে তারা বলেন, হাসপাতালের এতো সংকট সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষের কোনো পদক্ষেপ তো নেই, বরং তারা নানা অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। তাই জেলাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্টদের কাছে ৭ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানাই।

দাবিগুলো হলো- ব্যর্থ তত্ত্বাবধায়ককে অপসারণ করতে হবে, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের স্ট্যান্ডার্ড সেটআপের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় শতভাগ জনবল নিয়োগ সুনিশ্চিত করতে হবে, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের স্ট্যান্ডার্ড সেটআপের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পূর্ণ অবকাঠামো সুনিশ্চিত করতে হবে, রোগীর খাবারের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে, বরাদ্দকৃত ওষুধের সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিতে নিয়মিত তদারকি জারি রাখতে হবে, অসাধু সিন্ডিকেট এবং দালালদের দৌরাত্ম্য দূরীকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে এবং ১০টি আইসিইউ শয্যা স্থাপন করতে হবে।