অনলাইন ডেস্ক ►
আজ ৩০ অক্টোবর। ফুটবল নক্ষত্র ডিয়েগো ম্যারাডোনার জন্মদিন। বেঁচে থাকলে আজ ৬৬ বছরে পা দিতেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর পৃথিবী ছেড়ে গেলেও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে ম্যারাডোনার জায়গাটা আজও অমলিন। বিশ্বকাপ জয়, অবিশ্বাস্য সব গোল কিংবা বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’—তাকে ঘিরে গল্পের শেষ নেই। তার ফুটবলজীবনের শুরুটাও ছিল সিনেমার মতো।
১৯৬০ সালের এই দিনে বুয়েনস অ্যাইরেসের দরিদ্র এলাকা ভিয়া ফিওরিতোয় জন্ম ম্যারাডোনার। সাত ভাইবোনের সংসারে বেড়ে ওঠা ছেলেটির পায়ের জাদু ধরা পড়ে ছোটবেলাতেই। মাত্র ১০ বছর বয়সে যোগ দেন আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের যুব দল লস সেবোলিতাসে। সেখান থেকেই শুরু ‘প্রতিভার বিস্ফোরণ’।
১৯৭৬ সালের ২০ অক্টোবর, মাত্র ১৫ বছর ১১ মাস বয়সে আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের হয়ে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক হয় ম্যারাডোনার। প্রতিপক্ষ ছিল তায়েরেস। ম্যাচে প্রথমবার বল পেয়েই প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে দুই পায়ের মাঝ দিয়ে বল বের করে বোকা বানিয়েছিলেন তিনি। ছোট্ট সেই মুহূর্তেই যেন ফুটবল বিশ্বকে নিজের আগমনী বার্তা দিয়েছিলেন।
আরেকটি মজার তথ্য, শৈশবে ম্যারাডোনার প্রিয় ফুটবলারদের একজন ছিলেন উত্তর আয়ারল্যান্ডের জর্জ বেস্ট। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রিভেলিনো ও আর্জেন্টাইন রিকার্দো বোচিনিও ছিলেন তার পছন্দের খেলোয়াড়।স ১৯৮৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করার পথে পাঁচ গোলের পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছিলেন চার গোল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের মাত্র চার মিনিট পরই করেছিলেন শতাব্দীসেরা গোল।
ম্যারাডোনা নেই; কিন্তু ফুটবলকে নিজের মতো করে ভালোবাসতে শেখানো তার সেই জাদু আজও বেঁচে আছে কোটি সমর্থকের স্মৃতিতে।