• মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ২৭-২-২০২৫, সময়ঃ সন্ধ্যা ০৬:৫১

পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে জব্দ ২ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস



পঞ্চগড় সংবাদদাতা►

পঞ্চগড় সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা থেকে জব্দ করা ২ কোটি ১ লাখ ১১ হাজার ৮৫০ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা।

আজ (বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নীলফামারী ৫৬ বিজিবির আয়োজনে নীলফামারী ব্যাটালিয়ন চত্বরে এ সব মাদক ধ্বংস করা হয়।

প্রথমে বুলডোজার দিয়ে নিষিদ্ধ মদের বোতল গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। পরে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ গাঁজা আগুনে জ্বালিয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় বিজিবি সদস্যরা সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালানে মাদক নির্মূলের জন্য জিরো টলারেন্স নীতি নিশ্চিত করতে তৎপর থাকার কথা জানান।

বিজিবি জানায়, নীলফামারী এবং পঞ্চগড় জেলার সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা চলছে। পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন (১৮ বিজিবি) ২০২২ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এবং নীলফামারী ব্যাটালিয়ন (৫৬ বিজিবি) ২০১৫ সালের ২০ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করে। সে সব মাদক বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) প্রশিক্ষণ মাঠে ধ্বংস করা হয়। ধ্বংস করে দেয়া এসব মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ১ লাখ ১১ হাহার ৮৫০ টাকা।

ধ্বংস করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে ছিল ৪ হাজার ৯৯০ বোতল ফেনসিডিল, ৪ হাজার ১৯৮ বোতল বা প্যাকেট মদ, ২৭০ বোতল বা ক্যান বিয়ার, ১ দশমিক ১১২ কেজি হেরোইন, ১ দশমিক ০৬১ কেজি কোকেন, ১৩০ দশমিক ৪৩২ কেজি গাঁজা, ৭৪১ পিস নেশা জাতীয় ইনজেকশন, ১৪৮ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, ৩ হাজার ৮৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৭ হাজার ১১২ পিস নিষিদ্ধ ট্যাবলেট, ০১ পিস নিষিদ্ধ ওষুধ এবং ৯ প্যাকেট বিড়ি।

মানকদ্রব্য ধ্বংস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর রিজিয়ন সদর দফতরের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদুর রহমান।

এ ছাড়া ঠাকুরগাঁও সেক্টর সদর দফতরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল গোলাম রব্বানী, পঞ্চগড়-১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মনিরুল ইসলাম, নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা, রংপুর রিজিয়নের পরিচালক অপারেশন লে. কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, নীলফামারী আর্মি ক্যাম্পের মেজর রাফায়েত আমিন আলবি, র‍্যাব-১৩ সিপিসি-২ এর স্কট কমান্ডার শেখ মাহফুজার রহমান, নীলফামারী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম, পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রতিনিধিসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় স্কুল কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।