সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধি ►
ঠিকাদারের গাফিলতি ও অযোগিতার কারনে দীর্ঘদিন হতে বন্ধ রয়েছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার পানি শোধনাগারটি। পৌরবাসির দাবির মুখে গত সোমবার হতে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পরীক্ষামুলক ভাবে চালু করেছেন শোধনাগারটি। তিনঘন্টা ব্যাপী চালু রাখা হয়। সেই সুবিধাভোগীদের বাসাতে বসানো কলে পানি সরবরাহ করা হয়। গত রোববার পানি শোধনাগারটি চালু ও চলমান রাস্তা এবং ড্রেন নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করাসহ কাজের গুণগতমান নিশ্চিত করণের দাবিতে মানববন্ধন করেন পৌরবাসী।
এর প্রেক্ষিতে সোমবার চালু করা হয়। জানা গেছে, গত দু’বছর আগে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩২টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ এনভায়রণমেন্টাল স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় ঢাকাস্থ এসএএম কর্নসোটিয়াম লিমিটেড ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পানি শোধনাগারটি নির্মাণ করেন। চুক্তি মোতাবেক নির্মাণের পর ১২ মাস পরীক্ষামুলক ভাবে চালু করার পর এটি পৌরসভাকে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে। সে স্থলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ৩ মাস ১৯দিন চালু করার পর বন্ধ রাখে। সে কারনে পৌরসাসি সুপেয় পানি হতে বঞ্চিত রয়েছে। এদিকে পৌরসভার নালা বা ড্রেন ও রাস্তার কাজ সম্ভুক গতিতে চলার কারনে সাধারন মানুষ চরম ভোগাণিÍর শিকার হচ্ছেন দীর্ঘ দিন হতে। এসব অভিযোগে নিয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. নুরুন্নবী প্রামাণিক সাজু বলেন, পানি শোধনাগারটি চালু না করায় পৌরবাসি সুপেয় পানিসহ নাগরিক অধিকার হতে বঞ্চিত হচ্ছে। পৌরবাসির পানি সরবরাহ নিশ্চিত করণের লক্ষে দ্রুত গতিতে শোধনাগারটি চালুসহ রাস্তার ড্রেন নির্মাণ কাজ শেষ করার দাবি জানান। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারি প্রকৌশলী মো. খোকন রানা বলেন, ঠিকাদারের অহযোগিতাসহ নানাবিধ কারনে দীর্ঘদিন শোধনাগারটি বন্ধ ছিল।
ইতোমধ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে তাগাদা দেয়া হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে চলতি সপ্তাহ থেকে পরীক্ষামুলক ভাবে নিয়মিত চালু থাকবে। পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী মো. হামিদুর রহমান বলেন, পানি শোধনাগারটি এখনো পৌরসভাকে হস্তান্তর করা হয়নি। সে কারনে এ ব্যাপারে পৌরসভার কোন কিছু করার সুযোগ নেই। উপজেলা নিবার্হী অফিসার ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠাণের কারনে পানি শোধনাগারটি চালু করতে সমস্যা হচ্ছে। চলতি সপ্তাহে সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।