• মাধুকর প্রতিনিধি
  • এই মাত্র

গোলবন্যায় ভেসে গেলেন হামজারা

অনলাইন ডেস্ক ►
ফিফা আসিয়ান কাপের শেষটা ভালো হলো না বাংলাদেশের। জাকার্তায় তারা ৯-২ গোলে হেরেছে ইন্দোনেশিয়ার কাছে। বাংলাদেশের ফারহান আলী ওয়াহিদ গোল করে মান রেখেছেন। বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এটি আরেকটি বড় পরাজয়। এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯-তে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৯-০ গোলে হারের তিক্ত স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২-তে ইরানের কাছে ৯-০ তেই হার ছিল। ১০ আগস্ট ১৯৭৫ সালে হংকংয়ের কাছে পরাজয় ৯-১ এ।

১১ এপ্রিল ১৯৯৩-তে জাপানের কাছে উড়ে যায় ৮-০ গোলের ব্যবধানে। ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮০ সালে ইরানের কাছে ৭-০-তে হারতে হয়। গতকাল আসিয়ান কাপে টানা তৃতীয় ম্যাচ হারের মধ্য দিয়ে মিশন শেষ হলো জামাল-হামজাদের।

টুর্নামেন্টের গ্রুপপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল দল। সেই ম্যাচে ৩-০ গোলে হেরেছে তারা। দ্বিতীয় ম্যাচে তুলনামূলক ভালো খেলেছেন জামাল ভূঁইয়ারা; কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হয়নি। ব্যবধানটা কম হলেও হেরেছে সে ম্যাচেও। সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ গোল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ।

শেষ ম্যাচের জয়ের স্বপ্ন নিয়েই মাঠে নামে বাংলাদেশ। বরাবরের মতোই শুরুটা ছিল গোছানো; কিন্তু কয়েক মিনিট পরই যেন ছন্দ হারিয়ে ফেলেন হামজারা। ম্যাচের ১১তম মিনিটেই বাংলাদেশের জালে প্রথমবার বল পাঠিয়ে দেয় স্বাগতিকরা। ওলে রোমেনির দেওয়া পাসে প্রথম গোলটি করেন লে বেকার। আর ম্যাচের ২০তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলের পাশাপাশি ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। ১২ মিনিট পর রিজকি রিদোর দেওয়া পাসে ব্যবধানে তিনগুণ হয় ইন্দোনেশিয়ার।

অবশ্য ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে এক গোল করতে পেরেছে বাংলাদেশও। সুকির ক্রস থেকে আসা বল হেড করে গোল করেন শাহরিয়ার ইমন। পরের মিনিটে বাংলাদেশের জালে নিজের তৃতীয় গোলটি করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন লে বেকার। ফলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-১-এ। এরপর আরও দুটি গোল হজম করেন থমাস ডুলির শিষ্যরা। ৪২তম মিনিটে নিজের চতুর্থ গোলটি করেন লি বেকার। আর যোগ করা সময়ে দলের হয়ে ষষ্ঠ গোলটি করেন হাবনার। প্রথমার্ধ শেষ হয় ৬-১ গোলের ব্যবধানে। প্রথমার্ধে ছয় গোল হজমের মাধ্যমেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক আক্রমণ করলেও আসছিল না গোল; কিন্তু ম্যাচের ৮৯ মিনিট পর্যন্ত ব্যবধানটা একই ছিল। ৯০তম থেকে অতিরিক্ত ৭ মিনিট পর্যন্ত হয়েছে চারটি গোল। এর মধ্যে তিনটি গোল দেয় ইন্দোনেশিয়া, একটি বাংলাদেশ। ম্যাচের ৯০তম মিনিটে ব্যবধান ৭-১ করেন ভিকেরি। পরের মিনিটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় গোলটি করেন ফারহান আলী ওয়াহিদ। ইন্দোনেশিয়ার শেষ দুটি গোল করেন কেভিন ডিকস ও লে বেকার। এই হারের মাধ্যমে ৩ ম্যাচে কোনো পয়েন্ট অর্জন না করে তলানিতে অবস্থান বাংলাদেশের।